• ১১ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Abhishek Banerjee

রাজ্য

ভোটের আগে বড় বার্তা! দলকে সতর্ক করলেন অভিষেক, কী বললেন জানেন?

আর মাত্র নদিন পর শুরু হবে নির্বাচন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সব রাজনৈতিক দল প্রচারে জোর দিয়েছে। কেউ ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে এগোচ্ছে, আবার কেউ নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচারে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে দলের কর্মীদের মনোবল বাড়াতে বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি বলেছেন, আগামী কয়েকদিন সব মতভেদ ভুলে একসঙ্গে লড়াইয়ে নামতে হবে। কাউন্সিলরদেরও আলাদা করে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।এদিকে রাজ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা যাচ্ছে, তিনি প্রায় পনেরো দিন বাংলায় থাকবেন। এতে বিজেপির নেতা ও কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বলেন, বিজেপি এমন একটা পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে যাতে মনে হয় তারা ক্ষমতায় আসছে। চারদিকে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা চলছে যে তৃণমূলের বহু ভোট কমে গিয়েছে। বিশেষ করে ভোটার তালিকা সংশোধনের কারণে অনেকের নাম বাদ পড়ায় ভোটের সমীকরণ বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।দলের ভিতরে যে মতভেদ রয়েছে, তা নিয়েও সতর্ক করেছেন অভিষেক। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই নির্বাচন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচন। এখন কোনও ত্রুটি হলে পরে আর আফসোস করার সুযোগ থাকবে না। তাই আগামী পনেরো দিন সব গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব ভুলে একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি ।একই সঙ্গে তিনি বলেন, পুরোনো ও নতুন কর্মীদের মধ্যে কোনও বিভেদ রাখা যাবে না। সকলকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার চালাতে হবে। পুরোনো কর্মীদের যথাযথ সম্মান দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এখন আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই, সবাইকে মাঠে নেমে কাজ করতে হবে।বিজেপিকে আক্রমণ করে অভিষেক দাবি করেন, তারা বুঝে গিয়েছে যে বাংলায় জেতা তাদের পক্ষে সহজ নয়। তাই তারা তৃণমূলের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে। একুশের নির্বাচনেও একই কৌশল নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে এবারের ফলাফল আগেরবারের থেকেও ভালো হবে বলেই আশাবাদী তিনি।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হিন্দু বাঙালিদের নাম কাটা হচ্ছে? চাঞ্চল্যকর অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনীতি

ভোটের আগে নাম বাদ নিয়ে উত্তাল বাংলা। প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠতেই তীব্র আক্রমণে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাংবাদিক বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিস্ফোরক দাবি করেন, বাদ যাওয়া নামগুলির মধ্যে প্রায় তেষট্টি শতাংশই হিন্দু বাঙালির।অভিষেকের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, জোর করে বাংলা দখলের চেষ্টা চলছে, কিন্তু বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। তিনি বলেন, এই রাজ্য বিপ্লবীদের ভূমি, এখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ সবসময় লড়াই করে। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সরকার থাকলে কোনওভাবেই মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, এর জবাব মানুষ ভোটবাক্সেই দেবে এবং মানুষের শক্তির সামনে সব অন্যায় পরাজিত হবে।এর আগেই এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, মতুয়া, রাজবংশী এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায়কে টার্গেট করেই এই কাজ করা হচ্ছে। তিনি জানান, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রায় বত্রিশ লক্ষ নাম আবার তালিকায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে যাঁদের নাম এখনও বাদ রয়েছে, তাঁদের অধিকার ফেরাতে প্রয়োজন হলে আরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যারা বহু বছর ধরে এই দেশে বসবাস করছেন, তাঁদের কেন আবার নতুন করে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনও বৈধ ভোটারকে বাংলা থেকে বাদ পড়তে দেবেন না।তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনাকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক ত্রুটি হিসেবে দেখছে না। বরং তারা মনে করছে, এটি বাঙালির পরিচয় এবং অধিকার খর্ব করার একটি বড় চক্রান্ত। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের সাহায্য করতে প্রতিটি ব্লকে বিশেষ আইনি সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
কলকাতা

মমতা-অভিষেকের মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক, নির্বাচন কমিশনে বিজেপির অভিযোগ

ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে থাকায় এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। তাঁদের প্রচারের বক্তব্য সেন্সর করার দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের রায়নায় এক সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন, উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে বিজেপিকে কঠোরভাবে পরাজিত করা হবে। এরপর তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলির প্রসঙ্গ তুলে আরও কড়া মন্তব্য করেন। বিজেপির দাবি, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করছে এবং হিংসাকে উসকে দিচ্ছে।বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, শুধু অভিষেক নন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিকবার একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। এর আগেও মমতার বক্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছিল।গত ২৫ তারিখ ময়নাগুড়িতে এক সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তাঁর প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি সমর্থকদের সতর্ক করে বলেন, কোনও হিংসাত্মক পথে না যেতে। এই মন্তব্য নিয়েও আপত্তি জানিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি।যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এবার মমতা ও অভিষেকদুজনের বিরুদ্ধেই একসঙ্গে সেন্সরের দাবি জানিয়ে নতুন করে চাপ তৈরি করেছে বিজেপি।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রিমোট কন্ট্রোল বনাম রিপোর্ট কার্ড! ভোটের আগে নতুন তত্ত্ব অভিষেকের

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক তত্ত্ব সামনে আনলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় )। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচন আসলে রিমোট কন্ট্রোল এবং রিপোর্ট কার্ড-এর লড়াই।অভিষেকের অভিযোগ, বিজেপি দিল্লি থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বাংলাকে চালাতে চায়। তাঁর কথায়, এই রিমোট কন্ট্রোলের লক্ষ্য হল বাংলার প্রাপ্য টাকা আটকে দেওয়া, বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং অশান্তি তৈরি করা। তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি বারবার বাঙালিদের অপমান করে এবং বিভিন্ন ইস্যুতে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে উন্নয়নের খতিয়ান। গত ১৫ বছরে রাজ্যে যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, সেটাকেই রিপোর্ট কার্ড হিসেবে সামনে আনা হচ্ছে। লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্য সাথীর মতো বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরে প্রচার চালানো হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বার্তায় জানান, এই লড়াই আসলে দুই ধরনের ভাবনার মধ্যে। একদিকে বিজেপির রিমোট কন্ট্রোল, অন্যদিকে তৃণমূলের কাজের রিপোর্ট কার্ড। তাঁর দাবি, তৃণমূল মানুষের জন্য কাজ করেছে এবং প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে।তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই ঠিক করবে। বাইরের কেউ রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে এই রাজ্য চালাতে পারবে না। এই বার্তা দিয়েই ভোটের ময়দানে নতুন সমীকরণ তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

সভা শেষে হঠাৎ আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা অভিষেকের

শনিবার বীরভূমের লাভপুরে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা শেষে হঠাৎ মঞ্চের একাংশে আগুন লাগে। এই ঘটনায় সভাস্থলে উপস্থিত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুত দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য শেষ করে মঞ্চ থেকে নেমে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই আগুন লাগে। তিনি তখন হেলিপ্যাডের দিকে যাচ্ছিলেন। ফলে তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন বলে জানা গেছে।এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারকে একাধিক বিষয়ে আক্রমণ করেন। রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরির অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনার কথাও জানান।সভা শেষ হওয়ার পর হঠাৎ মঞ্চের উপরের অংশ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই কাপড়ে আগুন ধরে যায়। সেখানে উপস্থিত দমকল কর্মীরা দ্রুত মঞ্চে উঠে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। নিরাপত্তার জন্য এলাকাটি ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়।কিছু সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কীভাবে আগুন লাগল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দমকল ও পুলিশ।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও একটি সভা করার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে তিনি কলকাতায় ফিরে ভারচুয়াল মাধ্যমে প্রচার করবেন বলে জানা গেছে।

মার্চ ২৮, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে বড় লড়াই! শুভেন্দুর ঘাঁটিতে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, ‘ডি জে বাজবে’ বার্তায় তোলপাড়

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে নজরকাড়া কেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম নন্দীগ্রাম। এই কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। শুভেন্দু অধিকারীর এই কেন্দ্রে এবার তাঁরই প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে সামনে রেখে লড়াই করছে তৃণমূল। শুভেন্দু নিজের ঘাঁটি ধরে রাখতে পারবেন, নাকি পুরনো সঙ্গীর কাছে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন, সেই প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক মহলে ঘুরছে।বুধবার নন্দীগ্রামে গিয়ে দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পবিত্র করকে পাশে নিয়ে তিনি বলেন, আগামী ২৫ দিনের দায়িত্ব কর্মীদের নিতে হবে এবং তারপরের পাঁচ বছরের দায়িত্ব তিনি নিজে নেবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এমনভাবে লড়াই করতে হবে যাতে একটি বুথ থেকেও বিজেপি মাথা তুলতে না পারে।অভিষেক জানান, নন্দীগ্রামে প্রায় উনিশ হাজারের বেশি যুবসাথীর আবেদন জমা পড়েছে এবং সকলেই সেই সুবিধা পাবেন। তিনি আশ্বাস দেন, প্রয়োজন হলে তিনি বারবার নন্দীগ্রামে আসবেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, কেউ ভয় দেখালে বা চাপ সৃষ্টি করলে মানুষকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে হবে এবং যে ভাষায় বোঝে, তাকে সেই ভাষাতেই জবাব দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, চার তারিখের পর নন্দীগ্রামে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হবে এবং রবীন্দ্রসংগীতের সঙ্গে ডি জে বাজানো হবে। মানুষের উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা, ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।শুভেন্দু অধিকারীকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ছিল এবং এখনও আছে। তিনি অভিযোগ করেন, এলাকার বর্তমান বিধায়ক মানুষের জন্য কোনও উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। কেন্দ্রের সহায়তায় কী প্রকল্প আনা হয়েছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, মানুষের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি নিয়ে কাজ না করে শুধু ধর্মের রাজনীতি করা হচ্ছে।দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মধ্যে নন্দীগ্রামকে সেরা করতে হবে। পবিত্র কর জিতলে প্রতিটি বুথে সেবাশ্রয় প্রকল্প চালু করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। পাশাপাশি তিনি জানান, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা যেমন চলবে, তেমনই স্থানীয় স্তরেও উন্নয়ন হবে।সব মিলিয়ে স্পষ্ট, নন্দীগ্রামকে কেন্দ্র করে এবারের নির্বাচন আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে এবং এই কেন্দ্রের দিকে সবার নজর থাকবে।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর গড়ে চ্যালেঞ্জ! নন্দীগ্রামে অভিষেকের টানা সভা ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে

রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নন্দীগ্রামকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। এই কেন্দ্রকে সামনে রেখে এবার জোর প্রচারে নামতে চলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দু অধিকারীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নন্দীগ্রামে এবার তৃণমূল প্রার্থী করা হয়েছে পবিত্র করকে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গতবারের পরাজয়ের পর এবার এই কেন্দ্র দখলে মরিয়া তৃণমূল।জানা গিয়েছে, আগামী পঁচিশে মার্চ নন্দীগ্রামে একটি কর্মীসভার মাধ্যমে প্রচার শুরু করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। এরপর সাতাশে মার্চ পাঁশকুড়া পূর্বে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। ত্রিশে মার্চ কাঁথি এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও করবেন তিনি।এই সফরকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়ছে। দলের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই ধারাবাহিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, গত নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মুখোমুখি লড়াই হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। সেই লড়াইয়ে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার আবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই তৃণমূল নতুন করে কৌশল সাজাচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পবিত্র করকে প্রার্থী করে তৃণমূল একটি কৌশলী পদক্ষেপ নিয়েছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ হওয়ায় তিনি ভোটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। আর তাঁর পাশে থেকে প্রচার জোরদার করতে মাঠে নামছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে নন্দীগ্রামের লড়াই এবার আরও জমে উঠবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে তৃণমূলের ডাবল আক্রমণ! উত্তর থেকে দক্ষিণে ঝড় তুলবেন মমতা-অভিষেক

আর মাত্র একমাস পরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তার আগে থেকেই জোরকদমে প্রচারে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের দুই প্রান্ত থেকে প্রচারের দায়িত্ব নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গ থেকে প্রচার শুরু করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২৪ মার্চ আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। একই দিনে মাটিগাড়া এবং ময়নাগুড়িতেও সভা করবেন তিনি।অন্যদিকে, একই দিন দক্ষিণবঙ্গ থেকে প্রচার শুরু করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায় তাঁর প্রথম জনসভা হওয়ার কথা। এরপর ২৫ মার্চ তিনি নন্দীগ্রাম সহ দুই মেদিনীপুরে একাধিক সভা করবেন। দাসপুর, কেশিয়ারি ও নারায়ণগড়ে জনসভা এবং নন্দীগ্রামে কর্মী বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে।সূত্রের খবর, ভবানীপুরে কর্মীসভা করার পরই উত্তরবঙ্গে চলে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গের সব আসনেই প্রথম দফায় ভোট হওয়ায় সেখানে বিশেষ জোর দিচ্ছেন তিনি। একদিনে একাধিক সভা করে প্রচার তীব্র করতে চান তৃণমূল নেত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকা এখনও বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। সেই কারণে সেখানে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে দলীয় শক্তি আরও মজবুত করতে মাঠে নামছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়াও জানা গিয়েছে, মার্চ মাস জুড়ে উত্তরবঙ্গের একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে জনসভা ও রোড শো করবেন অভিষেক। পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় জনসংযোগ কর্মসূচিও চালাবেন তিনি।সব মিলিয়ে ভোটের আগে রাজ্যে জোরদার প্রচার শুরু করে বিজেপিকে টক্কর দিতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।

মার্চ ২১, ২০২৬
কলকাতা

“নাম কাটা নয়, গর্দান কাটলেও ঝুঁকব না”—রেড রোডে বিস্ফোরক অভিষেক

শনিবার সকালে পবিত্র ইদের নামাজ উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে প্রতি বছরের মতো এ বারও ভিড় জমায় হাজার হাজার মানুষ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এক মাসের রোজা শেষে ইদের নামাজে অংশ নেন বহু মানুষ। নামাজ পরিচালনা করেন ইমাম কারী ফজলুর রহমান।এই মঞ্চ থেকেই এসআইআর ইস্যুতে জোরালো বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেক মানুষের নাম এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং এই বিষয়টি নিয়ে তারা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছেন। তিনি জানান, দেশের প্রতি তাঁর গর্ব রয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে চান।অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই সম্প্রীতির উপর জোর দেন। তিনি বলেন, বাংলার ভ্রাতৃত্ববোধ ভবিষ্যতেও অটুট থাকা প্রয়োজন। তাঁর কথায়, উৎসব মানুষকে ভালোবাসা ও একতার শিক্ষা দেয়। তিনি বলেন, আপনার উৎসবে আমি থাকব, আমার উৎসবে আপনি থাকবেনএটাই বাংলার সংস্কৃতি। তিনি আরও বলেন, রমজানে যেমন রাম আছেন, তেমনই দীপাবলিতে আছেন আলি।এরপর এসআইআর ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। অভিষেক বলেন, নাম কাটা তো দূরের কথা, বড় ধরনের চাপ এলেও তাঁরা মাথা নত করবেন না। তাঁর দাবি, সরকার কারও মালিক নয়, সবাই এই দেশের সমান অধিকারী। তিনি বলেন, এই দেশে মন্দিরের ঘণ্টা ও মসজিদের আজান একসঙ্গে শোনা যাবেএটাই বাংলার ঐতিহ্য।তিনি আরও বলেন, কেউ বলছে হিন্দুরা বিপদে, কেউ বলছে মুসলমানরা বিপদে। কিন্তু তাঁর মতে, আসলে পুরো দেশই এখন সংকটের মধ্যে রয়েছে। এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।প্রতি বছরের মতো এ বছরও কলকাতা খিলাফত কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই ইদের নামাজে যোগ দেন বহু মানুষ। রেড রোডে উৎসবের আবহের মধ্যেই রাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্টভাবে উঠে আসে।

মার্চ ২১, ২০২৬
কলকাতা

বিরোধী থেকে সহযোদ্ধা, অভিষেকের হাত ধরেই বড় চমক প্রতীক উরের

লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়র বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন তিনি। কিন্তু দুবছর পর রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন দেখা গেল। একসময়ের বিরোধী মুখ প্রতীক উর রহমান এবার অভিষেকের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগ দিলেন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক প্রাক্তন বাম যুবনেতার এই দলবদল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতীক উর রহমান আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন। তাঁর লেখা একটি চিঠি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে তিনি রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। দলীয় নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা যেত, কিন্তু সেই পথে না গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে নেতৃত্ব। বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ জানান। পরে রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর মহম্মদ সেলিম জানান, প্রতীক উরের দলত্যাগ তাঁদের কাছে সন্তানের মতো কাউকে হারানোর সমান। তাঁকে দলে ফেরানোর চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। উল্টে প্রতীক উর দলের প্রবীণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।এই সময় থেকেই শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলের এক সাংসদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। শনিবার দুপুরে সেই জল্পনার অবসান ঘটে। আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূলে যোগ দেন প্রতীক উর রহমান। রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে, আরও কয়েকজন বাম যুবনেতাও কি তাঁর পথ অনুসরণ করতে পারেন। বিশেষ করে সৃজন ভট্টাচার্য ও দীপ্সিতা ধরকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে। যদিও এ বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেননি, তবু বাম শিবিরে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
দেশ

কৃষি চুক্তির আড়ালে বড় বিপদ? লোকসভায় সতর্কবার্তা অভিষেকের

মঙ্গলবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেটের কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই বাজেটে সাধারণ মানুষ থেকে কৃষক কেউই স্বস্তি পাননি। বরং প্রত্যেকেই আরও বেশি বঞ্চিত হয়েছেন। দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি আমেরিকা ও ভারতের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন।অভিষেক বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভারতের কৃষকরা। তাঁর দাবি, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির পর ভারতীয় কৃষকরা আরও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মার্কিন কৃষি সচিবের একটি মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন।অভিষেক জানান, বাণিজ্য চুক্তির পর মার্কিন কৃষি সচিব ব্রুক রলিনস এক্স মাধ্যমে একটি বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, এই চুক্তির ফলে আমেরিকার কৃষকরা আরও বেশি পণ্য ভারতে রফতানি করতে পারবেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এর ফলে আমেরিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও বেশি অর্থ ঢুকবে এবং ভারতের সঙ্গে কৃষি-বাণিজ্যের ঘাটতি কমবে।এই মন্তব্যের পরেও ভারত সরকার কেন কোনও প্রতিক্রিয়া জানাল না, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ভারতে প্রতিদিন কৃষকদের মৃত্যু হচ্ছে। একের পর এক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও সুরাহা হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তিতে লাভবান হচ্ছেন সে দেশের কৃষকরা, আর ভারতীয় কৃষকরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ছেন।অভিষেকের প্রশ্ন, মার্কিন কৃষি সচিব প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য করার পরেও ভারত সরকার কেন সেই বক্তব্য খারিজ করল না? কেন কোনও জবাব দেওয়া হল না? সংসদে এই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রের নীরবতাকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

৮৫ মিনিটের বাজেটে একবারও বাংলার নাম নয়! সংসদে বিস্ফোরক অভিষেক

লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে তীব্র সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ৮৫ মিনিটের বাজেট বক্তৃতায় একবারও বাংলার নাম উচ্চারণ করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, এত দীর্ঘ বক্তব্যেও রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার ছবিটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।অভিষেকের দাবি, কেন্দ্র যে ফ্রেট করিডরের কথা বাজেটে ঘোষণা করেছে, সেই প্রস্তাব অনেক আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও বাংলাকে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই সরকার সমতায় নয়, পক্ষপাতেই বিশ্বাস করে।এদিন অভিষেক বলেন, অর্থমন্ত্রী দাবি করছেন দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগোচ্ছে। অথচ বাংলা বছরে প্রায় ৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা কর দেওয়ার পরেও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত। মনরেগায় নতুন কাজ বন্ধ, গ্রামীণ সড়ক যোজনা থেকে জল জীবন মিশন সব ক্ষেত্রেই বাংলাকে টাকা দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি পানীয় জলের মতো মৌলিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রেও রাজ্যকে দরাদরি করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক ট্রিপল ট্যাক্স ট্র্যাপ-এর কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষ মনে করেন তাঁরা একবার কর দিচ্ছেন, কিন্তু বাস্তবে তিনবার কর দিতে হচ্ছে। প্রথমে বেতন থেকে আয়কর কাটা হয়। দ্বিতীয়ত জিএসটি বিস্কুট, স্কুলের খাতা, হাসপাতালের বিল, এমনকি সাবানেও কর দিতে হয়। তৃতীয় কর হল মূল্যবৃদ্ধি, যা অনুমতি ছাড়াই বাড়ে। অভিষেকের কথায়, এটিই হল নীরব কর।মধ্যবিত্তদের অবস্থার কথাও তুলে ধরেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, মাসের মাঝপথেই অনেকের বেতন শেষ হয়ে যায়। একটি গাড়ি কিনলেও তিনবার কর দিতে হয় আয়কর, রোড ট্যাক্স এবং টোল ট্যাক্স।এসআইআর থেকে শুরু করে বাংলা ভাষা ইস্যুতেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, জয় বাংলা বলা বা সোনার বাংলা গান গাইলেই অনুপ্রবেশকারী তকমা দেওয়া হচ্ছে। সেনাকর্মী, নোবেলজয়ী কিংবা হাইকোর্টের বিচারপতিকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাংলায় প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এক কোটি মানুষকে সন্দেহভাজন তালিকায় রাখা হয়েছে।সবশেষে অভিষেক বলেন, কেন্দ্র যদি তহবিল বন্ধ করতে চায়, তা করতেই পারে। কিন্তু বাংলার মেরুদণ্ড কখনও ভাঙবে না। সব কিছু কেড়ে নেওয়া গেলেও মানুষের স্মৃতি মুছে ফেলা যায় না। মানুষ জেগে উঠলে শেষ কথা বাংলাই বলবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

‘এখন যুদ্ধের সময়’—এসআইআর ইস্যুতে তৃণমূলকে রণসজ্জায় নামালেন অভিষেক

এসআইআর ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, তখন বিনা যুদ্ধে এক চুল জমিও ছাড়তে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রণসজ্জা দেখে এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। আদালত থেকে রাজপথ, সব জায়গাতেই সরব ঘাসফুল শিবির।ভোটার দিবসে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে পথে নামছে তৃণমূল। রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে ব্লকে মিছিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতি ব্লকে দুটি করে মিছিল হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি বুথে বুথে ভোটরক্ষা কমিটি গঠনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এখন আত্মতুষ্টির সময় নয়, এটি লড়াইয়ের সময়। আগামী ২২ দিন দলের কর্মীদের মাঠে নেমে মাটি আঁকড়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কাজের ক্ষেত্রে কোনও রকম ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না বলেও কড়া বার্তা দিয়েছেন অভিষেক। সূত্রের খবর, দলের এক মেগা ভার্চুয়াল বৈঠকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে দলের প্রায় সব স্তরের নেতানেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। বিধায়ক, সাংসদ থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত ও পুরসভা স্তরের নেতারা যোগ দিয়েছিলেন। প্রায় এক লক্ষেরও বেশি মানুষ এই বৈঠকে ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। সেখানে একের পর এক স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই বৈঠকে বিএলএ-টুদের সক্রিয় উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও এক চুল জমি ছাড়তে রাজি নয় তৃণমূল, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের।সূত্রের খবর, এই বৈঠকেই বিধায়ক ও সাংসদদের উদ্দেশে কড়া নির্দেশ দেন অভিষেক। প্রয়োজনে নিজেদের খরচে ওয়ার রুম চালানোর কথাও বলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, অন্য দলের মতো তৃণমূল বিধায়ক বা সাংসদদের বেতন থেকে টাকা কাটে না। দল যখন সুযোগ দিয়েছে, তখন এখন ঝাঁপিয়ে পড়ার সময়।লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সির তালিকায় থাকা প্রায় ১ কোটি ৩৬ লক্ষ নাম যাতে কোনওভাবেই বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন অভিষেক। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই নামগুলি আগের ভোটার তালিকায় ছিল, এখন সেগুলি লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সিতে দেখানো হয়েছে। এই ভোটারদের নাম রক্ষা করাই এখন দলের প্রধান লক্ষ্য।আগামী পনেরো থেকে কুড়ি দিন ওয়ার রুম সক্রিয় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন অভিষেক। দুদিনের মধ্যে ওয়ার রুম কার্যকর করতে বলা হয়েছে। তাঁর সাফ কথা, ওয়ার রুম চালু না থাকলে বিজেপির ষড়যন্ত্র কীভাবে ধরা যাবে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
রাজ্য

পুরুলিয়া থেকে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের, ‘৫০-এর গণ্ডিও পেরোতে দেব না’

ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে জেলায় জেলায় সংগঠন মজবুত করতে ব্যস্ত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার পুরুলিয়ায় দলীয় মিছিলে যোগ দিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তিনি। একই সঙ্গে পুরুলিয়ার একাধিক স্থানীয় সমস্যা নিয়ে বড় প্রতিশ্রুতিও দিলেন অভিষেক।মিছিল থেকে অভিষেক জানান, ভোটের ফল ঘোষণার তিন মাসের মধ্যেই পুরুলিয়া জেলা থেকে ২০ জন প্রতিনিধিকে নিয়ে রেল মন্ত্রকের কাছে যাবে তৃণমূল। জেলার রেল সমস্যা নিয়ে সরাসরি লড়াই করা হবে। তাঁর কথায়, বিজেপির কাছে সব আছে, কিন্তু মানুষ নেই। আর তৃণমূলের সঙ্গে সব সময় মানুষ রয়েছে। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ওদের ছাইপাঁশ রেখে দিলে আলসার হয়, আর বাড়তে দিলে ক্যানসার।এসআইআর ইস্যুতে আদালতের রায় প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, তৃণমূল মামলা করেছিল। আজ আদালত বলেছে শুধু তালিকা প্রকাশ নয়, তা টাঙিয়েও দিতে হবে। এসআইআর-এর নামে মানুষকে যখন তখন লাইনে দাঁড় করানো হচ্ছে। অথচ কালো টাকা উদ্ধার হয়েছে কি না, পনেরো লক্ষ টাকা করে কারও অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে কি না, তার কোনও উত্তর নেই।কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বকেয়া প্রসঙ্গ তুলে অভিষেক বলেন, প্রতিটি বিধানসভায় প্রায় ৬৮০ কোটি টাকা করে কেন্দ্র বকেয়া রেখেছে। আবাস, গ্রাম সড়ক, একশো দিনের কাজ, সর্বশিক্ষা মিশন, জলজীবন মিশনের টাকা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। মানুষের প্রাপ্য অধিকার আটকে রাখা হচ্ছে বলেই অভিযোগ তাঁর।পুরুলিয়ার উন্নয়ন প্রসঙ্গে অভিষেক জানান, কোথাও আইটিআই, কোথাও হিমঘরের দাবি রয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই সেই দাবি পূরণ করা হবে। লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রসঙ্গে স্পষ্ট করে তিনি বলেন, যত দিন তৃণমূল সরকার থাকবে, তত দিন লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ হবে না। এখানেই বিজেপি ও তৃণমূলের পার্থক্য।নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, দশ বছর আগে ভোজ্য তেল বা রান্নার গ্যাসের দাম কী ছিল, আর এখন কী হয়েছে, সেটাই বিজেপি সরকারের নমুনা। মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় শান্তি ফেরানোর কৃতিত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলেও দাবি করেন অভিষেক।দলের ভিতরের সমস্যা নিয়েও বার্তা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, কোনও স্থানীয় নেতার আচরণে সমস্যা হলে সরাসরি তাঁকে ফোন করে জানাতে পারেন। কিন্তু তার জন্য দল ছাড়বেন না।পরিযায়ী শ্রমিকদের মারধর, রামমন্দির ইস্যুতে অযোধ্যায় বিজেপির হার, বাংলাদেশি তকমা দেওয়ার রাজনীতি একের পর এক ইস্যুতে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তোলেন অভিষেক। শেষে বলেন, পুরুলিয়ায় বিজেপির সাংসদ ও বিধায়ক থাকলেও একটি নতুন রেললাইন হয়নি, সময়মতো ট্রেন চলে না। রেলের কাজের প্রতিশ্রুতি শুধু কথাতেই আটকে রয়েছে।সব মিলিয়ে পুরুলিয়ার মঞ্চ থেকে বিজেপি ও বামেদের বিরুদ্ধে একযোগে সুর চড়িয়ে ছাব্বিশের ভোটের আগে রাজনৈতিক লড়াইয়ের রূপরেখা স্পষ্ট করে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

‘কোর্টে হার, ভোটে হার’! সুপ্রিম রায়ের পর বিজেপিকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের

তৃণমূল কংগ্রেসের করা এসআইআর মামলায় ইতিমধ্যেই বড় রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত তৃণমূলের বেশির ভাগ দাবিকেই মান্যতা দিয়েছে। সেই রায় ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাপানউতোর শুরু হয়েছে। ভোটের মুখে এই রায়কে ঘাসফুল শিবিরের জন্য বড় স্বস্তি বলেই মনে করা হচ্ছে।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর বারাসতের জনসভা থেকে তীব্র ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আজ কোর্টে হারিয়েছি, এপ্রিলে ভোটে হারাব। সবাই তৈরি থাকুন।বারাসতের মঞ্চ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে সুর আরও চড়িয়ে অভিষেক বলেন, বাংলা কোনও সাধারণ রাজ্য নয়। এই মাটি উত্তর প্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ বা গুজরাট নয়। এই মাটিই স্বাধীনতা আন্দোলন আর নবজাগরণের পথ দেখিয়েছে।অভিষেক আরও বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত তৃণমূলের দাবিকে মান্যতা দিয়ে জানিয়েছে, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি বিচারপতিরা নির্দেশ দিয়েছেন, বিএলএ-২-রা শুনানিতে থাকতে পারবেন। যাঁরা শুনানিতে যাচ্ছেন, তাঁদের রসিদও দিতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ জারি রেখে অভিষেক বলেন, এসআইআর নিয়ে বিজেপির খেলা শেষ। যাঁরা এক কোটি মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলেছিল, এই রায় সেই সব মানুষের জয়। তাঁর দাবি, এই জয় মা-মাটি-মানুষের জয়, এই জয় বাংলার জয়।অভিষেক আরও বলেন, ভোটাধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার। যারা সেই অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল, তাদের দেশের সর্বোচ্চ আদালত কড়া জবাব দিয়েছে। শেষে প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে প্রশ্ন তোলেন, কার ক্ষমতা বেশি ১০ কোটি মানুষের, না বিজেপির জমিদারদের?

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

বিধায়কের হাত থেকেও ছিনতাই! ফর্ম সেভেন ঘিরে রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক ঝড়

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বলেছিলেন, ১৬, ১৭, ১৮ ও ১৯ তারিখে যদি বিজেপি কর্মীরা ইআরও অফিসে ফর্ম জমা দিতে আসে, তাহলে রবীন্দ্র সংগীতের সঙ্গে ডিজে বাজিয়ে ভদ্রভাবে প্রতিবাদ জানাতে। আজ সেই ১৯ তারিখ। আর ঠিক এই দিনেই জেলায় জেলায় উত্তেজনার ছবি সামনে এল।এসআইআর সংক্রান্ত শুনানি কেন্দ্রগুলিকে ঘিরে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে ব্যাপক বচসা ও হাতাহাতির অভিযোগ উঠেছে। আসানসোল, বনগাঁ থেকে চুঁচুড়া একের পর এক জায়গায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।আসানসোল দক্ষিণ থানার মহকুমাশাসক দফতরের সামনে হেয়ারিং কেন্দ্র ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূলের অভিযোগ, একটি কালো গাড়িতে করে বিপুল সংখ্যক ফর্ম সেভেন নিয়ে এসেছিলেন বিজেপির নেতারা। বিষয়টি জানাজানি হতেই তৃণমূল নেতৃত্ব গাড়িটি ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন। অভিযোগ, গাড়ির সামনের কাচ ভাঙচুর করা হয়। এর পর তৃণমূল ও বিজেপি নেতাদের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে হাতাহাতিতে গড়ায়। এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এই ঘটনায় এক বিজেপি নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি পরিকল্পিত ভাবে বহু ফর্ম সেভেন জমা দিয়ে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।তৃণমূলের এক নেতা বলেন, যদি কোনও সমস্যা থাকে, তা হলে বিএলও বা ইআরও-র কাছে জানানো উচিত। কিন্তু হাজার হাজার ফাইল নিয়ে এসে অশান্তি করা হচ্ছে। বিজেপির এক ব্লক নেতা পাল্টা দাবি করেন, তিনি নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই কাজ করছেন। কিন্তু তৃণমূল তাঁকে কাজ করতে দিচ্ছে না এবং ফাইল ছিনিয়ে নিচ্ছে।শুধু আসানসোল নয়, বনগাঁ উত্তর মহকুমাশাসক দফতরের সামনেও উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার হাত থেকে ফর্ম সেভেন ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন তৃণমূল কর্মীরা। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়।চুঁচুড়া সদর মহকুমাশাসক দফতরের শুনানি কেন্দ্রেও অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। সেখানে বিধায়ক অসীত মজুমদারের বিরুদ্ধে দাদাগিরির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, ফর্ম জমা দিতে আসা এক ব্যক্তির সঙ্গে ঠেলাঠেলি ও মারধর করা হয় এবং তাঁর ফর্ম ছিঁড়ে ফেলা হয়।এসআইআর সংক্রান্ত শুনানি কেন্দ্রগুলিতে এই অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
কলকাতা

রঞ্জিত মল্লিককে জড়িয়ে ধরলেন অভিষেক, ক্যামেরার সামনে আবেগঘন মুহূর্ত

বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে ভবানীপুরে অভিনেতার বাড়িতে যান তিনি। প্রায় দুঘণ্টা সেখানে ছিলেন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক জানান, এই সাক্ষাতে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে তাঁর ছোটবেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। ছোটবেলায় তাঁর দেখা প্রথম সিনেমার নাম ছিল গুরুদক্ষিণা, যেখানে অভিনয় করেছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। অভিষেক আরও বলেন, অভিনেতার অধিকাংশ ছবি তাঁর জন্মের আগেই মুক্তি পেয়েছিল। ১৯৯২ সালে প্রয়াত কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।অভিষেক জানান, এদিন তিনি রাজনীতির কথা বলতে যাননি। তবে কেন্দ্র কীভাবে রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে এবং গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকার কীভাবে কাজ করেছে, সে কথাগুলি রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের কথাও তিনি তুলে ধরেন।সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি এগিয়ে এসে অভিষেককে জড়িয়ে ধরে বলেন, ওকে আমার খুব ভাল লাগে। খুব ভাল লাগে। এটুকুই বলব। অভিনেতার এই মন্তব্যে মুহূর্তটি আবেগঘন হয়ে ওঠে।উল্লেখ্য, উন্নয়নের পাঁচালি নামে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রচার কর্মসূচির কথাও উঠে আসে আলোচনায়। এই প্রচারে গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য চালু হওয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো প্রকল্পগুলির কথা লোককথার ঢঙে তুলে ধরা হচ্ছে। গ্রামের মহিলাদের কাছে সহজ ভাষায় সরকারের কাজ পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

কবে ফিরবে ‘জিম লুক’? প্রকাশ্যে তরুণীর প্রশ্নে চমকপ্রদ জবাব অভিষেকের

অনেক আগেই নিজের ওজন কমিয়ে ছিপছিপে চেহারায় ফিরেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কালো শার্ট পরে গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে র্যালি করলে অনেকের চোখেই তিনি যেন সিনেমার নায়কের মতোই। এমনকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিজেপির নেতারাও কটাক্ষ করতে গিয়ে তাঁকে হিরো বলেই ফেলেন। তবে রাজনীতির বাইরে তাঁর চলাফেরা, কথা বলার ভঙ্গি এবং স্টাইল ইতিমধ্যেই যুবসমাজের একাংশের মধ্যে আলাদা প্রভাব ফেলেছে।কয়েকদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে অভিষেক নিজের কয়েকটি জিম লুকের ছবি পোস্ট করেছিলেন। সেই ছবি দেখে অনেকেই প্রথমে চিনতেই পারেননি। মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় সেই পোস্ট। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এই লুক নিয়ে প্রবল আলোচনা শুরু হয়। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই রাজনৈতিক কর্মসূচির মঞ্চে একেবারে অপ্রত্যাশিত প্রশ্নের মুখে পড়তে হল অভিষেককে।হাওড়ার বালিতে এক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য ও দেবাংশু ভট্টাচার্য। সেই সময় ভিড়ের মধ্য থেকে এক তরুণী সরাসরি প্রশ্ন করেন, দাদা, আপনি পরের জিম সেলফি কবে পোস্ট করবেন? প্রশ্ন শুনে মুহূর্তের মধ্যেই হাসির রোল ওঠে সভাস্থলে।একটুও না ভেবে অভিষেক মুচকি হেসে উত্তর দেন, ২৫০ করার পর। তৃণমূল জিতবে, ২৫০ হবে, তারপর হবে। এই কথার মধ্য দিয়েই তিনি স্পষ্ট করে দেন, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের লক্ষ্য ২৫০ আসন। রাজনীতির বার্তার সঙ্গে হালকা মেজাজে দেওয়া এই জবাব মুহূর্তে উপস্থিত সকলের মন জিতে নেয়।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি মানেই মাতাল? বাঁকুড়ার সভা থেকে বিস্ফোরক মন্তব্য অভিষেকের

শনিবার বাঁকুড়ার একটি সভা থেকে বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিষেক দাবি করেন, বিজেপি মূলত মাতাল, মদ্যপ এবং অসভ্য লোকজনের দল। তাঁর এই মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি শিবিরে ক্ষোভ ছড়ায়।সভা মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, কোনও ভদ্র, শিক্ষিত বা মার্জিত মানুষ বিজেপি করে না। তাঁর দাবি, যারা মদ্যপ, পাতাখোর, গাঁজাখোর, দুনম্বরি বা চোর, তারাই বিজেপিতে রয়েছে। এই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক মহলে তুমুল শোরগোল শুরু হয়।এর পাল্টা জবাব দিতে রবিবার ময়নাগুড়িতে সভা করেন বিজেপি সাংসদ ও রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। অভিষেকের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, যিনি এই কথা বলছেন, তিনি নিজেই উচ্চশিক্ষিত নন। সুকান্ত দাবি করেন, অভিষেক দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করেই অন্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।সুকান্ত মজুমদার বলেন, বাংলায় বিজেপির মোট ১৩০০টি মণ্ডল রয়েছে এবং তার মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ মণ্ডল সভাপতিই গ্র্যাজুয়েট। তিনি আরও জানান, বিজেপিতে বহু শিক্ষিত মানুষ রয়েছেন, যার মধ্যে চিকিৎসক জয়ন্ত রায়ের মতো ব্যক্তিরাও আছেন। তাঁর দাবি, বিজেপির নেতারা দেশ ও সমাজের প্রতি নিজেদের দায়বদ্ধতার প্রমাণ রেখেছেন।এছাড়াও সুকান্ত বলেন, অভিষেক তাঁর এলাকায় এসে অনেক অভিযোগ করেছেন, কিন্তু কখনও তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনও অভিযোগ তুলতে পারেননি। তাঁর মতে, সেটাই বিজেপির শক্তি। সুকান্তের কথায়, যত অভিযোগই করা হোক, বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফিরে এল পাঁচ বছর আগের স্মৃতি! তৃণমূল কর্মীর বাইকে সওয়ার হলেন মুখ্যমন্ত্রী

প্রায় পাঁচ বছর আগে পেট্রল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বৈদ্যুতিক স্কুটারে চড়ে নজর কেড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ছবি ফের যেন ফিরে এল এবারের ভোট প্রচারে। শনিবার বিকেলে উত্তর ২৪ পরগনার দমদম উত্তর কেন্দ্রে রোড শো করতে গিয়ে হঠাৎই দলীয় কর্মীর বাইকে চড়ে প্রচার সারলেন তিনি।দমদম উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের সমর্থনে এদিন বিরাটির বণিক মোড় থেকে বিরাটি মোড় পর্যন্ত রোড শো ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। প্রথমে তিনি গাড়িতে করে বিরাটি মিনি বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছন। তারপর কিছুটা রাস্তা হেঁটে এগোন। এরপর আচমকাই এক দলীয় কর্মীর বাইকে উঠে পড়েন তিনি। বাইকে চড়েই বাকি পথ পাড়ি দেন এবং সেইভাবেই জনসংযোগ করেন।এই দৃশ্য দেখে রাস্তার দুপাশে ভিড় জমে যায়। সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস চোখে পড়ে। অনেকেই বলছেন, এইভাবেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়াই মুখ্যমন্ত্রীর আলাদা পরিচয়।দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রচার জোরকদমে চলছে। তৃণমূল নেতৃত্ব একাধিক জেলায় ঘুরে ঘুরে প্রচার করছেন। কখনও হুগলি, কখনও উত্তর ২৪ পরগনা, আবার সন্ধ্যায় কলকাতাএভাবেই টানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত রয়েছেন তাঁরা। তারই মাঝে এই বাইক যাত্রা নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।উল্লেখ্য, একুশ সালের আগে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি গাড়ি নয়, বৈদ্যুতিক স্কুটারে করে নবান্নে যাবেন। সেই মতো কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের স্কুটিতে চড়ে তিনি নবান্নে পৌঁছেছিলেন। এবার আবার ভোটের মাঝেই বাইকে চড়ে প্রচারে নামায় সেই পুরনো ঘটনার স্মৃতি উসকে দিল।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

এক মঞ্চে মোদি-মমতা নিশানায়! শ্রীরামপুরে রাহুলের বিস্ফোরক আক্রমণ

রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। হুগলির শ্রীরামপুরে শনিবারের সভা থেকে তিনি দুর্নীতির ইস্যুতে একসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপির উত্থানের জন্য তৃণমূলও দায়ী।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যেমন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তেমনই বাংলার তৃণমূল সরকারও দুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছে। তাঁর কথায়, নরেন্দ্র মোদি যেমন হিংসার রাজনীতি করেন, তৃণমূলও বাংলায় একই কাজ করছে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার প্রসঙ্গ তুলে রাহুল বলেন, তিনি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন এবং তাঁর লোকসভার সদস্যপদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং নিয়মিত হাজিরা দিতে হচ্ছে। তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এরপর তিনি প্রশ্ন তোলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কত মামলা হয়েছে এবং তাঁকে কতবার জেরা করা হয়েছে।তৃণমূল বিজেপির সঙ্গে সরাসরি লড়াই করে না বলেও অভিযোগ করেন রাহুল। তাঁর দাবি, কংগ্রেসই নীতির ভিত্তিতে লড়াই করছে এবং সঙ্ঘের বিরুদ্ধেও তারা লড়ছে।সভায় তিনি আবারও সারদা ও রোজভ্যালি চিটফান্ড কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর অভিযোগ, এই সব ঘটনায় সাধারণ মানুষের টাকা লুট হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রের অবনতি নিয়েও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি। রাহুলের দাবি, একসময় বাংলা ছিল শিল্পের কেন্দ্র, কিন্তু এখন সেই জায়গা হারিয়েছে এবং বহু কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার অপরাধে আসানসোলে খুন! সিসিটিভিতে ধরা পড়তেই গ্রেফতার ৩, তীব্র চাঞ্চল্য

আসানসোলে (Asansol) কংগ্রেস কর্মী খুনের ঘটনায় শনিবার তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনা রাজনৈতিক হিংসার নয়। জেলা নির্বাচন আধিকারিক কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে জানিয়েছেন, রাস্তায় গণ্ডগোলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।এই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সরাসরি তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। কংগ্রেস (Asansol) প্রার্থী প্রসেনজিৎ পুইতুণ্ডি দাবি করেছেন, নিহত যুবক দেবদীপ চট্টোপাধ্যায় তাঁর পরিচিত এবং তাঁর হয়েই প্রচার করেছিলেন।প্রসেনজিৎ জানান, শুক্রবার রাতে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে গাড়িতে ফিরছিলেন দেবদীপ। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর পথ আটকায়। এরপর দেবদীপ গাড়ি থেকে নামলে তাঁদের মধ্যে বচসা শুরু হয় (Asansol)। অভিযোগ, দেবদীপ তাঁর নাম করে অভিযোগ জানাবেন বলতেই দুষ্কৃতীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বেধড়ক মারধর শুরু করে। লাথি-ঘুষিতে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় তাঁকে। সেই আঘাতেই মৃত্যু হয় বলে দাবি কংগ্রেস প্রার্থীর। তাঁর অভিযোগ, এই দুষ্কৃতীরা তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ।ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোল উত্তর বিধানসভা এলাকার একটি আবাসনে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতেই মারধরের ঘটনা ঘটে এবং শনিবার সকালে মৃত্যু হয় ওই যুবকের। ঘটনার পর কংগ্রেস প্রার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা আসানসোল দক্ষিণ থানায় গিয়ে বিক্ষোভ দেখান (Asansol)।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

দাউদাউ আগুনে ছাই বস্তি! একের পর এক সিলিন্ডার ফেটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

দক্ষিণ ২৪ পরগনার আক্রা-সন্তোষপুর এলাকায় একটি বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই আগুনে বহু ঝুপড়ি পুড়ে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অন্তত ৪০টি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, মোট ৫০ থেকে ৬০টি ঘর আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।শনিবার আচমকা আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। আগুনের তীব্রতায় চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। দূর থেকেও সেই ধোঁয়া দেখা যাচ্ছিল বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।আগুন লাগার কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। একের পর এক ঝুপড়ি আগুনের গ্রাসে চলে যায়। আতঙ্কে বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেন।প্রথমদিকে স্থানীয়রাই আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। জল ঢেলে ও বিভিন্নভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হলেও আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।খবর পেয়ে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে পুলিশও পৌঁছে উদ্ধারকাজে সাহায্য করছে।এই অগ্নিকাণ্ডে রেললাইনের ওভারহেড তার পুড়ে যাওয়ায় বজবজ-শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

গঙ্গায় নৌকাবিহার ঘিরে মোদিকে তোপ! মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষে তোলপাড় রাজনীতি

উত্তরপাড়ার জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গঙ্গায় নৌকাবিহার নিয়ে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি দাবি করেন, সেনাবাহিনীর বিশেষ নৌকায় চড়েই গঙ্গায় ঘুরেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই নৌকায় কোনও দুর্ঘটনার ভয় নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন নৌকাবিহার করছেন এবং হুগলি নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। তাঁর কথায়, সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই এই সফর হয়েছে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যের ঘাটগুলি সুন্দর করে সাজানো হয়েছে, সেগুলিও নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন।এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে অতীতের একটি ঘটনাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী । তিনি দাবি করেন, কোভিডের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে মৃতদেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যা পরে মালদহে পাওয়া যায়। সেই প্রসঙ্গ টেনেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন তিনি।এছাড়া দিল্লির যমুনা নদীর দূষণ নিয়েও প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, গঙ্গা পরিষ্কার রাখতে রাজ্য চেষ্টা করে, কিন্তু কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য মেলে না। ড্রেজিংয়ের জন্য অর্থ দেওয়া হয় না বলেও দাবি করেন তিনি। বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।শেষে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, দিল্লিতে যমুনার দূষণ কতটা বেড়েছে, তা একবার দেখে নেওয়া উচিত। তাঁর কথায়, যমুনার জল এতটাই দূষিত যে সেখানে নামলে ক্ষতি হতে পারে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! ডায়মন্ড হারবারে ৫ পুলিশ অফিসার সাসপেন্ড, চাঞ্চল্য রাজনীতিতে

ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পাঁচজন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশে তাঁদের অবিলম্বে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার পুলিশ সুপার ড. ইশানি পালকে সতর্ক করা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডিশনাল এসপি সন্দীপ গড়াই, এসডিপিও সাজিল মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবার থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তী, ফলতা থানার আইসি অজয় বাগ এবং উস্তি থানার ওসি সুবেচ্ছা বাগ। কমিশন সূত্রে খবর, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে গাফিলতি এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার কারণেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, গত ২২ তারিখে নিযুক্ত পুলিশ অবজার্ভার এই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই কমিশন বিষয়টি পর্যালোচনা করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।তবে ঘটনার মধ্যেই নতুন বিতর্কও সামনে এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, ওই পুলিশ অবজার্ভার নাকি এক বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে একটি হোটেলে বৈঠক করেছিলেন। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এর আগে পুলিশ পর্যবেক্ষক পি এস পুরুষোত্তম দাসকে অপসারণের দাবিতে তৃণমূল কংগ্রেস আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না এবং ডায়মন্ড হারবার, ফলতা ও মগরাহাট অঞ্চলে পক্ষপাতমূলক ভূমিকা নিচ্ছেন। তৃণমূলের আইনজীবীর দাবি ছিল, বিজেপি প্রার্থীদের সঙ্গে তিনি আলাদা করে হোটেলে বৈঠক করেছেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়।এই পুরো ঘটনার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপে ডায়মন্ড হারবারের প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের রাজনৈতিক আবহকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগেই বদলে গেল আবহাওয়া! বাংলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, কোথায় কতটা প্রভাব?

দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কয়েকদিন ধরে চলা তীব্র গরমের পর এবার রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ফলে ভোটের সময় আবহাওয়ার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এপ্রিলের শেষ ভাগে রাজ্যে কিছুটা স্বস্তির বৃষ্টি দেখা দিতে পারে। তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত কমার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বহু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে এবং কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।কলকাতার আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থাকবে। দুপুর বা বিকেলের দিকে হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রির আশেপাশে। বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রাও বেশি থাকবে, যা অস্বস্তি বাড়াতে পারে।দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই কয়েকদিনের জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীর আশঙ্কাও রয়েছে, যা ভোটের সময় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে।সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে মৎস্যজীবীদের জন্যও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর ওড়িশার উপকূলে আগামী কয়েকদিন সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও ভিন্ন। সেখানে ইতিমধ্যেই প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ধূপগুড়ি, বানারহাট ও গয়েরকাটা এলাকায় ঝড়বৃষ্টিতে জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। বহু জায়গায় গাছ পড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে, বাজার-হাটও প্রভাবিত হয়েছে। কৃষক ও শ্রমিকদের কাজেও বড় প্রভাব পড়েছে এবং ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে ভোটের মুখে বাংলার আবহাওয়া নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি এলেও ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা ভোটের দিনগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই হাবড়ায় ইডির হানা! একাধিক চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভোররাতের তল্লাশি

দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগেই ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার ভোরে উত্তর চব্বিশ পরগনার হাবড়ায় রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে একাধিক চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি।কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়েই এই অভিযান শুরু হয়। হাবড়ার জয়গাছি নেতাজি রোডে চাল ব্যবসায়ী সমীর চন্দের বাড়িতে প্রথমে হানা দেয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। অভিযোগ, রেশন বণ্টন দুর্নীতির মামলায় তাঁর নাম উঠে এসেছে। কোথা থেকে চাল কেনা হয়, কী দামে বিক্রি হয় এবং বাজারে কীভাবে সরবরাহ করা হয়, সেই সমস্ত আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।একই দিনে হাবড়ার শ্রীনগর রোডে আরও এক চাল ব্যবসায়ী সাগর সাহার বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। সেখানে পৌঁছে কিছু সময় বাইরে অপেক্ষার পর ভিতরে ঢুকে শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। পরিবারের সদস্যদেরও প্রশ্ন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ইডি সূত্রে দাবি, এই মামলায় হাবড়ার অন্তত তিনজন চাল ব্যবসায়ীর নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই একাধিক দলে ভাগ হয়ে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। অভিযোগ, রেশন সামগ্রী কালোবাজারিতে বিক্রি করা হচ্ছিল এবং বিপুল আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি কালো টাকা সাদা করার ঘটনাও সামনে এসেছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগেই এই অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা রয়েছে, যেখানে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, যাঁকে এই একই মামলায় আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল।শনিবার ভোরের এই অভিযানের সময় অধিকাংশ পরিবারই ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বারবার দরজায় ধাক্কা দেওয়ার পর বাড়ির ভিতরে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন আধিকারিকরা। এখনও পর্যন্ত অভিযান চলছে বলে খবর।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal